Ask POPI


ডুবে যাওয়া স্বপ্নে আশার আলো


ডুবে যাওয়া স্বপ্নে আশার আলো

সোনার চাঁদ এর আশার জাল

কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাঠাইর গ্রামের বাসিন্দা সোনার চাঁদ দাস একজন গরীব বর্গাচাষী স্ত্রী দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে তার চার সদস্যের ছোট পরিবার বড় মেয়ে প্রান্তি স্থানীয় বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী, আর ছোট মেয়ে শ্রুতি, যার বয়স পাঁচ বছর, এখনও স্কুলে ভর্তি হয়নি

নিজস্ব জমি না থাকায় কৃষি শ্রমিকের কাজের পাশাপাশি বর্গা চাষই সোনার চাঁদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান উপায় ২০২৬ সালে বর্গা চাষের জন্য তিনি ৬০ শতাংশ জমি গ্রহণ করে বোরো ধান আবাদ করেনতিনি জমির বর্গা গ্রহণের জন্য জমির মালিককে ১৮ হাজার  টাকা প্রদান করেন । এছাড়াও বীজ, সার ও শ্রমিক নিয়োগ ইত্যাদি কাজে তার আরও ৮-১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। গত বছর একই পরিমাণ জমি থেকে তিনি প্রায় ৪০ মণ ধান পেয়েছিলেন, যার বাজার মূল্য ছিল ৪০ থেকে ৪২ হাজার টাকা সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বছরও তিনি ৪০-৪৫ মণ ধান পাওয়ার আশা করেছিলেন

মৌসুমের শুরু থেকে ধানের ফলনও ছিল অত্যন্ত ভালো পাকা ধানে ভরে উঠেছিল পুরো ক্ষেত কিন্তু ধান কাটার মাত্র ১৫-২০ দিন আগে আকস্মিক অকাল বন্যা তার সমস্ত স্বপ্ন ভাসিয়ে